বঙ্গোপসাগরের বুক থেকে নামবে দেশী-বিদেশী সব উড়োজাহাজ। আর উড়াল দেবেও সাগরের জল ছুঁয়ে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৈকতের শহর- কক্সবাজারবাসীর এমন স্বপ্নকে দৃশ্যমান করতে কাজ শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মাণের। এরইমধ্যে ৯ হাজার ফুট রানওয়ের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হবে আরো ১ হাজার ৭০০ ফুট রানওয়ে, যা নির্মিত হবে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেলের উপর।

এর মধ্য দিয়ে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে ছাড়িয়ে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে-সমৃদ্ধ বিমানবন্দর হবে এটি। যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬শ’ কোটি টাকা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, সমুদ্রে রানওয়ে সম্প্রসারণ পরিবেশের উপর কোন বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।

কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে শহরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়নে উচ্ছ্বসিত সাগর তীরের মানুষেরাও।

২০২৩ সালে রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বহির্বিশ্বের সাথে আকাশ যোগাযোগের সূচনা করবে পর্যটন নগরী কক্সবাজার।